সেলফি।!!!!

IMG_20141226_113619

Advertisements

সোনার গাঁও হাই স্কুলের শহীদ মিনার।

20141220_143926
আমাদের সোনার গাঁও হাই স্কুলের শহীদ মিনার,এটি ১৬ ডিসেম্বরের পরের দিন আমার মোবাইলে ছবি বন্ধি হয়েছিল। অনেক দিন পরে এটি আমি আমার সাইটে শেয়ার করলাম।

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ)।

কুরআন হাদিসের আলোকে পবিত্র
ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) ঃ————–
————————————————
পবিত্র ঈদে মিলাদিন্নবী (সঃ) মুসলিম
বিশ্বের ঈমানি প্রেরণার জয় ধ্বনী।
যুগে যুগে বাতিলদের শনাক্ত করার কিছু
নিদর্শন ছিল, তেমনিভাবে তারই
ধারাবাহিকতায় বর্তমান সমাজে ও বাতিল
চিনার নিদর্শন হল পবিত্র
ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) এর বিরোধিতা করা।
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ)
কি? ঃ———–
ঈদ শব্দের আভিধানিক অর্থ হল খুশি হওয়া,
আনন্দিত হওয়া, আনন্দ উৎযাপন করা।
মিলাদুন্নবী (সঃ) এর বলতে নবী করীম (সঃ)
এর আগমনকে বুঝায়।
সুতরাং ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) অর্থ
হচ্ছে নবী করীম (সঃ) এর আগমনে খুশি হওয়া,
ঈদ উদযাপন করাকে বুঝায়।
কুরআনুল
কারীমে ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ)ঃ———-
————-
আল্লাহ পাক বলেন – অর্থাৎ আল্লাহ বলেন,
হে রাসূল! আপনি স্মরণ করুন ঐ দিনের
কথা ( রোজে আজলের সময়ের) যখন
আমি (আল্লাহ) আম্বিয়ায়ে কেরামগণের
নিকট থেকে এইভাবে অঙ্গীকার
নিয়েছিলাম যে, যখন আমি ( আল্লাহ)
তোমাদেরকে কিতাব এবং হিকমত অর্থাৎ
নবুয়ত দান করবো, অতঃপর তোমাদের
কাছে এক মহান রাসূলের শুভাগমন হবে –
যিনি তোমাদের প্রত্যেকের নবুয়তের
সত্যায়ন করবেন,তখন তোমরা সকলে অবশ্যই
তাঁর উপর ঈমান আনয়ন
করবে এবং সর্বোত্তমভাবে তাঁকে সাহায্য
সহযোগিতা করবে। তোমরা কি এ কথার
অঙ্গীকার করছো এবং অঙ্গীকারে অটল
থাকবে? সমস্ত নবীগণ সেইদিন
একশব্দে বললেন হ্যাঁ আল্লাহ
আমরা অঙ্গীকার করলাম। আল্লাহ
তায়ালা বললেন – তোমরা পরস্পর
স্বাক্ষী থেকো এবং আমি (আল্লাহ) ও
তোমাদের সাথে স্বাক্ষী রইলাম। এর পরে ও
যে কেউ পিছপা হয়ে যাবে – তারা ফাসেক।
(সূরা আল – ইমরান, আয়াত নং ৮১-৮২)
এই আয়াতে আল্লাহ
তায়ালা মিলাদুন্নবী (সঃ) এর আগমন
সম্পকে রোজে আজলের মধ্যে সমস্ত
নবীগণের উপস্তিতে আলোচনা করতেছেন।
নবীদের মজলীশে আমাদের নবী করীম (সঃ)
এর সম্পকে আলোচনা করা হয়, এবার
চিন্তা করুন নবীজির শান কত বড়। আল্লাহ
আমাদের নবীর শান কতই বড় করেছে।
সুতরাং নবীজির সাথে সাধারণ মানুষ
তো দূরের কথা কোন নবীর ও
তুলনা করা হয়না। এজন্যে নবীদের
দুটি হুশিয়ারী বাণী করেছেন, যথা (১)
আমার (আল্লাহ) বন্ধুর উপর ঈমান আনতে হবে।
(২) আমার (আল্লাহ)
বন্ধুকে সর্বোত্তমভাবে সাহায্য
সহযোগিতা করতে হবে।
মানুষ যখন কোন নেয়ামত ও রহমত প্রাপ্ত হয়
তখন তার আনন্দ উৎসব করা তার স্বভাবগত
কাজ, আর আল্লাহর নির্দেশও তাই
যেমন পবিত্র কোরআনে এরশাদ করেন”-
হে মানবকুল! তোমাদের নিকট তোমাদের
প্রতিপালকের পক্ষ থেকে উপদেশ
এসেছে এবং অন্তর সমূহের বিশুদ্ধতা,
হেদায়াত এবং রহমত ঈমানদারদের জন্য।
হে হাবীব (সঃ) আপনি বলুন! আল্লাহরই
অনুগ্রহ ও তাঁর দয়া প্রাপ্তিতে তারা যেন
আনন্দ প্রকাশ করে। এটা তাদের সমস্ত ধন
দৌলত সংচয় করা অপেক্ষা শ্রেয়।
( সূরা ইউনুছ, আয়াত নং – ৫৭-৫৮)
এই আয়াতের ব্যাখ্যায় ইমাম জালাল উদ্দিন
সুয়ূতী (রহঃ) তাঁর তাফসীর গ্রন্থ আদ দুররুল
মুনছুরের ৪র্থ খন্ড – ৩৬ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেন
যে হযরত আব্বাস (রাঃ) এই আয়াতের
তাফসীরে বলেন এখানে আল্লাহর অনুগ্রহ
দ্বারা ইলমে দ্বীন বুঝানো হয়েছে আর রহমত
দ্বারা নবী (সঃ) কে বুঝানো হয়েছে। যেমন
আল্লাহ তায়ালা বলেন,
(ওয়ামা আরসালনাকা ইল্লা রাহমাতাল্লিল
আলামীন) অথাৎ হে হাবীব আমি (আল্লাহ)
আপনাকে সমগো বিশ্বের জন্য রহমত করেই
প্রেরণ করেছি। (সূরা আম্বিয়া আয়াত
নং -১০৭)। তাফসীরে রূহুল
মায়ানী,তাফসীরে কবিরে ও অনুরুপ
বর্ণনা করেছেন।IMG_20141229_220248