ইসলাম বিরোদ্ধে লিখা বই বাজেপ্রাপ্ত করতে হবে এবং তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি দিতে হবে।

image

বইমেলা (২০১৫) তে প্রকাশিত
পবিত্র ইসলামের বিরুদ্ধে কুৎসাপূর্ণ
বইটি বাজেয়াপ্ত ও সংশ্লিষ্ট লেখকের
গ্রেপ্তারপূর্বক ফাঁসির দাবী জানিয়েছে-
বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট ও ছাত্রসেনা :
বইটির নাম: নবি মুহাম্মদের ২৩ বছর
লেখক: মূল: আলি দস্তি
ভাষান্তর: আবুল কাশেম এবং সৈকত চৌধুরী
(জীবনী, মুক্তচিন্তা)
প্রকাশক: রোদেলা প্রকাশনী
স্টল নং: ২৪২-২৪৪]
মুদ্রিত মূল্য: ৩৫০ টাকা
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৮৮
প্রচ্ছদ: সুখেন দাস
কর্ণফুলী নিউজঃ পবিত্র ইসলাম ধর্মের
বিরুদ্ধে জঘন্য কুৎসাপূর্ণ ” নবি মুহাম্মদের ২৩
বছর ” নামক বইটি বাজেয়াপ্ত ও
লেখক :মুরতাদ আলি দস্তি, অনুবাদক: ড: আবুল
কাশেম ও সৈকত চৌধুরীকে গ্রেপ্তারপূর্বক
ফাঁসির
দাবী জানিয়েছে- বাংলাদেশ
ইসলামী ফ্রন্ট নেতৃবৃন্দ। গতকাল বাংলাদেশ
ইসলামী ফ্রন্ট চেয়ারম্যান মাওলানা এম এ
মান্নান ও মহাসচিব মাওলানা এম এ মতিন
এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন -বইমেলায়
প্রকাশিত এই
নাস্তিক্যবাদী বইটিতে বিশ্বনবী (দ.),পবিত্র
কুরআন,মা আয়েশা সিদ্দিকা(রা.)সহ
ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ে অসত্য তথ্য
দিয়ে জঘন্য ভাষায় মিথ্যার আশ্রয়
নিয়ে কটুক্তি করা হয়েছে। আর এ ধরণের ধর্ম
অবমাননাকর বইটি কিভাবে বইমেলায়
প্রকাশিত হয়? সরকার
কি নাস্তিক্যবাদী শক্তিকে আস্কারা দিচ্ছে?
জঘন্য ভাষায় লিখিত এই বইয়ের মাধ্যমে শুধু
বাংলাদেশ নয় বিশ্বের
কোটি কোটি মুসলমানদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ
করিয়েছে। প্রতি মুহূর্তেই বাংলার
মুসলমানদের ঈমান-
আক্বিদা নিয়ে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।
নাস্তিক্যবাদীরা বার বার মুসলমানদের
ধর্মীয় অনুভূতি ও বিশ্বাসে আঘাত করে পার
পেয়ে যাচ্ছে।ধর্মীয় অনুভূতিতে অাঘাতের
শাস্তি মৃত্যুদন্ডের বিধান না করাই এসব
ন্যাক্কারজনক ঘটনা বারংবার ঘটছে।
নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে ধর্মীয়
অনুভূতিতে আঘাতের শাস্তি মৃত্যুদন্ডের
আইন জাতীয় সংসদে পাশের দাবী জানান।
পবিত্র ইসলামের বিরুদ্ধে কুৎসাপূর্ণ
বইটি বাজেয়াপ্ত ও সংশ্লিষ্ট লেখকের
গ্রেপ্তারপূর্বক ফাঁসির
দাবী জানিয়ে সরকারকে হুশিঁয়ার
করে তারা বলেন
– এসব নাস্তিক্যবাদী উস্কানির
ফলে জঙ্গীবাদীদের উত্থান হয়,তাই এদের
সাথে সাথে সংশ্লিষ্ট
প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান
ও বইমেলায় প্রকাশের সাথে জড়িতদের
বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিন।না হয় সুন্নী জনতার
গণআন্দোলনে গদি থাকবে না। অন্যদিকে এক
বিবৃতিতে নিন্দা জানিয়েছে- বাংলাদেশ
ইসলামী ছাত্রসেনার সভাপতি নুরুল হক
চিশতি ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম
কিবরিয়া। এবিষয়ে সহ- সভাপতি জামাল
রব্বানী কর্ণফুলী নিউজ ২৪ ডটকমকে বলেন
সরকার শাস্তির
ব্যবস্থা না নিলে ছাত্রসেনা আবার
মাঠে নামবে।
উল্লেখ্য, রোদেলা প্রকাশনীর
‘নবি মুহাম্মদের ২৩ বছর আলি দস্তি ’ এ
বইটিতে পবিত্র কুরআন শরীফ
সম্পর্কে বলা হয়েছে, কুরআন শরীফ নবীজি’র
মস্তিষ্ক উদ্ভব, মহান আল্লাহ তায়ালা’র
পক্ষ
থেকে নাজিলকৃত কোন কিতাব নয়।
নাউযুবিল্লাহ। বইটির ২০ পৃষ্ঠায়
দাবি করা হয়েছে, পবিত্র মিরাজ শরীফ
সম্পূর্ণ বানোয়াট। নাউযুবিল্লাহ। বইটির ১৭৯
নং পৃষ্ঠায়
দাবি করা হয়েছে, ইফকের
ঘটনা নিয়ে নবীজির স্ত্রী হযরত
মা আয়েশা সিদ্দিকা রদ্বিয়াল্লাহু
তায়ালা আনহা’র পবিত্র চরিত্র
নিয়ে যে আয়াত শরীফ নাজিল
হয়েছে সেটা মিথ্যা (নাউযুবিল্লাহ)
এবং হযরত আয়েশা সিদ্দিকা রদ্বিয়াল্লাহু
তায়ালা আনহা তিনি নাকি ব্যভিচারী (নাউযুবিল্লাহ
মিন জালিক)। পুরো বইটির পৃষ্ঠায় পৃষ্ঠায়
ইসলাম বিরোধী এমন সব বিকৃত
লেখা ছাপানো হয়েছে যা ভাষায় প্রকাশ
করা সম্ভব নয়।

Posted from WordPress for Android

“নবীর সাথে বেয়াদবীর পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ” প্রসংগঃআবু লাহাব ও উম্মে জামিলের পরিণতি

যখন কোরআন মজিদের”وانذر عشیرتک الاقربین” আয়াত নাজিল হলো তখন একদিন নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা কোরাইশদের ডেকে মূর্তিপূজা ত্যাগ করে এক লা-শরীক আল্লাহর ইবাদাত করার আহবান জানালেন।সকলে চুপ রইলো।কিন্তু চাচা আবু লাহাব অগ্রসর হয়ে দুই হাত নেড়ে বললোঃ
تبالک الھذا دعوتنا یا محمد
অর্থঃ-“হে মুহাম্মদ!তোমার সর্বনাশ হোক!এজন্যই কি তুমি আমাদেরকে ডেকেছো”?
তার এই বেয়াদবীপূর্ন উক্তি আল্লাহর সহ্য হলোনা।তার বিরুদ্ধে সূরা লাহাব নাযিল হলো।তার স্ত্রী নবীজীকে গালাগাল দিত এবং নবীজীর যাতায়াত পথে কাঁটা গেড়ে রাখতো।সূরা লাহাবে আল্লাহ তায়ালা উভয়ের বিরুদ্ধে নিম্নোক্ত শাস্তি ঘোষনা করলেন,
“আবু লাহাবের উভয় হাত ধ্বংস হোক এবং সে নিজেও ধ্বংস হোক।তার মালদৌলত ও জনবল কোন উপকারে আসবেনা।সে লেলিহান অগ্নিশিখায় অচিরেই পৌছে যাবে এবং তার স্ত্রীও তার সমগামিনী হবে।লাকড়ী বহনকালে তার গলায় রশি পড়বে”(সূরা লাহাব)
মূলতঃনবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা এর সাথে কেউ বেয়াদবী করে কেউ রক্ষা পায়নি।আবু লাহাবের দুই ছেলে ওতবা ও ওতায়বা এর নিকট নবীজীর দু’কন্যা রোকাইয়া ও উম্মে কুলসুম রাদিয়াল্লাহু আনহুম এর বাল্য বিবাহ হয়েছিল ছোটকালে।সূরা লাহাব নাযিল হওয়ার পর তারা পিতার নির্দেশে দু’বোনকে বিবাহ বাসরের পূর্বেই তালাক প্রদান করে।এক পর্যায়ে ওতায়বা নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা এর জামা মুবারক ছিড়ে ফেলে।নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা এতে মনে বড় আঘাত পেলেন এবং বদদোয়া করলেন, “হে আল্লাহ!তুমি ওতায়বার ওপর তোমার পক্ষ থেকে একটি কুকুর লেলিয়ে দাও”।
নবীজীর বদদোয়া অক্ষরে অক্ষরে ফলে গেলো।কোন এক বানিজ্য সফরে(সিরিয়া)একটি বাঘ এসে বহুলোকের মধ্যখান থেকে ঘুমন্ত অবস্থায় ওতায়বার ঘাড় মটকে রক্ত চুষে চলে গেলো।
নবীজীর সাথে বেয়াদবী করে আপন চাচা-চাচী ও চাচাত ভাইয়েরা বাঁচতে পারেনি।আল্লাহর গযবে পতিত হতে হয়েছে তাদের উপর।যারা রাসূলের আত্মীয় নয়-তারা বেয়াদবী করলে আল্লাহ কি তাদের ছেড়ে দেবেন?কখনই নয়।রশীদ আহমদ গাংগুহী,খলীল আহমদ আম্বেটবি,আশ্রাফ আলী থানভী,কাশেম নানুতভী,ইলিয়াস মেওয়াতী ও ইসমাঈল দেহলভী গংরা তাদের কিতাবে নবীজীর শানে বেয়াদবীমূলক যেসব উক্তি করেছে,তার সাজা তারা দুনিয়াতেই পেয়েছে এবং পরকালে পাবে।তাদের কেউ অন্ধ হয়েছে,কেউ ল্যাংরা হয়েছে,বড় নেতা ইসমাঈল দেহলভী নিকৃষ্টভাবে বালাকোটে সুন্নী মুসলমানদের হাতে নিহত হয়েছে।এটা তাদের জন্য পৃথিবীর অপমান।আখেরাতে আরও জঘন্য অপমান তাদের জন্য অপেক্ষা করছে।
কবি বলেছেনঃ
خدا جسکو پکڑے چھوڑالے محمد
محمد جو پکڑے چھوڑا کوءی نہیں سکتا-
“খোদা কাউকে পাকড়াও করলে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা শাফায়াত করে তাকে ছাড়িয়ে আনবেন বলে প্রমাণ আছে।কিন্তু মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা কাউকে পাকড়াও করলে তাকে ছাড়িয়ে নেয়ার কেউ নাই”
এজন্যই ফতোয়ায়ে শামীতে উল্লেখ আছে-নবীজীর সাথে কেউ বেয়াদবী করলে তার ক্ষমা নাই-তাকে কতল করা ওয়াজিব।অন্য কেউ ক্ষমা করার অধিকারী নয়।যার কাছে অপরাধী-তিনি ছাড়া অন্য কেউ ক্ষমা করতে পারে না।এ ব্যাপারে অনেক কাহিনি কিতাবে উল্লেখ আছে।হযরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু জনৈক বেয়াদব হাফেয ইমামকে কতল করে ফেলেছিল-সে ফজরের নামাজে সব সময় সূরা আবাছা পাঠ করতো নবীজীকে হেয় করার উদ্দেশ্যে।(সুত্রঃ-নূর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)।

Posted from WordPress for Android

সাদ্দাম।

সাদ্দাম হোসেন খুবই নামাজি – কালামী একজন ছেলে, পাঁচ ওয়াত নামাজ পড়ে।20150201_113707
রাস্থায় দাড়িয়ে আছে ছেলেটাকে কি কেউ ছিনেন এই হল আমাদের সাদ্দাম হোসেন। রাস্তায় দাড়িয়ে আছে সেই সময় বল্লাম একটা ছবি তুলি,
সাদ্দাম হোসেন দরবেশ বাবা,!!!!!!!